সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

বিশ্বে বাঙলার স্থান

বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারিতে রক্ত দিয়ে রক্ষা করা বাংলা ভাষা ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পেয়েছে। বহির্বিশ্বের কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রতিবেশী ভারতে নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশের অমর একুশে স্মৃতিস্তম্ভের অনুরূপ স্থাপত্য।  
ইন্টারনেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারনেট করপোরেশন ফর অ্যাসাইন্ড নেমস অ্যান্ড নাম্বারের (আইসিএএনএন) ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে বার্ষিক সভায় বিভিন্ন ভাষায় ওয়েবসাইটের ঠিকানা (ডোমেইন) লেখার বিষয় অনুমোদন হয়েছে। সুযোগ যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে আমরা উপকৃত হব। বিশ্বে সংখ্যাতাত্ত্বিক হিসেবে বাংলা ভাষার স্থান পঞ্চম।  
সম্প্রতি বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ প্রদান করে বাংলাকে জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের জোর দাবি তোলেন। আন্তর্জাতিক দরকষাকষি কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর দাবিকে বাস্তবতায় রূপ দিতে পারে।

আমরা পারি বইয়ের পাতায় বাংলা বর্ণমালাকে সজীব করে বিশ্বপরিবারে বাংলাদেশকে পরিচিত করতে। মননের দারিদ্র্য কাটাতে বইয়ের গুণগতমান বদল করে আমরা দিনবদল করতে পারি। স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়তে খাদ্যপণ্যের চাষের পাশাপাশি মানুষের বুদ্ধি বিবেকের চাষের প্রয়োজন। আর এই কাজের মোক্ষম মাধ্যম হচ্ছে বই।
 


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন